Breaking News
Home / অন্যান্য / শারীরিক মিলনের সময় এই কাজগুলি করুন বাড়তি আমেজ পাবে সঙ্গী!

শারীরিক মিলনের সময় এই কাজগুলি করুন বাড়তি আমেজ পাবে সঙ্গী!

সম্পর্কে দাম্পত্য থাকবে না, তা হতে পারে না। একে অপরের কাছে আসার জন্য তাই দাম্পত্যর কোনও বিকল্প নেই৷ এক কথায় বলা যেতেই পারে, দাম্পত্যই নাকি সুস্থ সম্পর্কের চাবিকাঠি৷ কিন্তু চাইলেন আর সঙ্গে সঙ্গে গভীর শারীরিক সম্পর্কে তৈরি হয়ে গেল, এমনটা তো হতে পারে না৷ দু’জনে উত্তেজিত না হলে সুস্থ শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলবেন কীভাবে? কিন্তু কীভাবে উত্তেজিত করে তুলবেন আপনার পুরুষ সঙ্গীকে৷ সে কারণেই কিছু টিপস রইল আপনার জন্য৷

পুরুষসঙ্গীকে যদি সহজেই উত্তেজিত করে তুলতে চান, তবে আপনার নজর থাক তাঁর কানের দিকে। কানের পাশে মুখ নিয়ে গিয়ে ভালবাসার দুটি কথা বলে দেখুন না তার প্রতিক্রিয়া ঠিক কীরকম! জিভের ব্যবহার কাজে দিতে পারে কিন্তু৷

শারীরিক তৃপ্তি জমিয়ে উপভোগ করতে গেলে তাই সময় দিন, তাড়াহুড়ো করবেন না৷ শুধু কানই নয়৷ শারীরিক মিলনের আগে পুরুষ সঙ্গীর গলা, কাঁধেও বেশ কয়েকটি চুম্বন করুন। আপনার হালকা হাতের ছোঁয়া বা ঠোঁটের স্পর্শ তাঁকে উত্তেজিত করতে বাধ্য৷

বিছানায় কিন্তু হাতের গুরুত্বও প্রচুর৷ আপনার সঙ্গীর হাতের আঙুলগুলি আপনার হাতের আঙুল দিয়ে চেপে ধরুন। তাঁর হাত দিয়ে আপনার শরীর স্পর্শ করুন৷ আঙুলে হালকা দাঁতের কামড় দিয়ে বোঝাতে পারেন ঠিক কতটা কাছে চাইছেন আপনি তাঁকে।

শারীরিক মিলনের সময় ঠোঁটের গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। পুরুষ সঙ্গীকে উত্তেজিত করে তোলার জন্য তাঁর ঠোঁট স্পর্শ করুন৷ স্পর্শের মাধ্যম হিসাবে কাজে লাগাতে পারেন আপনার হাত বা ঠোঁট৷ আপনার একটি চুম্বনও তাঁকে উত্তেজিত করে তোলার জন্য কম কিছু নয়।

বিছানায় চরমসুখ পেতে চাইলে হালকা ঠোঁটের ছোঁয়া লাগুক তাঁর পেটে৷ চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দিন আপনার সঙ্গীকে। হাঁটু থেকে শুরু করে চুমু খান গোটা শরীরেই৷ সঙ্গতে থাক আপনার আঙুলের ছোঁয়া, ঠোঁট ও জিভের কারসাজি।

আরো পড়ুন, এক যুবতী রমনী একটু দুরের এক কূয়া থেকে জল তুলছিল । পাশ দিয়ে এক বুড়ো হেঁটে যাচ্ছিল। যুবতীকে দেখে তার মনে হল, এই নারী জাতির মাঝে এমন কী শক্তি ও কৌশল ও ছলনা রয়েছে, যা দিয়ে তারা রাজাকে – ফকির, বীরকে ভীরু , পাথরকে – মোম, বুড়োকে যুবক বানিয়ে ইচ্ছেমত খেলাতে পারে। তখন বুড়ো এসে তার মনের কথাগুলো ঐ যুবতীকে বললো । বুড়োর কথা শুনে যুবতী তার শাড়ির অধিকাংশ খুলে ফেলল। চুল গুলো এলোমেলো করে, আমাকে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার জুড়ে দিল। বুড়ো তখন মেয়েটিকে বললো, মা আমি তোমার কাছে একটা জিনিস জানতে চাইলাম, আর তুমি কিনা আমার সাথে ছলনা করে, আমাকে এখন মানুষের হাতে মার খাওয়াবে।

তিনি কেঁদে ফেললেন এবং বললেন এটাই কি তোমাদের আসল রূপ। ঐদিকে লোকেরা লাঠি নিয়ে ছুটে আসতে দেখল, তখন সে কূয়া থেকে এক বালতি জল তুলে সাথে সাথে নিজের শরীরটাকে ভিজিয়ে নিলো এবং বুড়োর কাপড় ও কিছুটা ভিজিয়ে দিল ও জোরে জোরে হাপাতে লাগলো।

লোকেরা এসে জিজ্ঞেস করলো মা তোমার কি হয়েছে? মেয়েটি বললো আমি কূয়াতে পড়ে গিয়ে চিৎকার করছিলাম তখন বুড়ো আমাকে কষ্ট করে কূয়া থেকে উঠিয়েছেন । তা না হলে আমি তো আজ মারাই যেতাম । তখন লোকেরা বুড়ো কে বাড়ি নিয়ে অনেক খাতির করলো । যখন তিনি চলে আসবেন তখন মেয়েটি এসে বললো, ” বাবা ” আপনার প্রশ্নের উত্তর কী পেয়েছেন? কিছু কিছু নারী জাতিরা এই ভাবেই পুরুষদের শিকার করে থাকে । তাই সব সময় নারীদের কাছে ভদ্রতা বজায় রাখুন, আর ছলনাময়ী নারীর থেকে নিজেকে দূরে রাখুন , “নাগিনীর ছোবল খেয়েও অনেক মানুষ বেঁচে যায় । কিন্তু ছলনাময়ী নারীর ছোবলে বেঁচে থাকা বড় কঠিন।

( সংগৃহীত)